মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে প্রবাসীর পাঠানো ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ভায়রাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় লুণ্ঠিত পুরো অর্থ ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ধোপড়া এলাকার বাসিন্দা শাহজালাল হালদার ওরফে সাহা, খোকন হালদার ও ইকবাল হোসেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রিকাবী বাজার সিটি ব্যাংক থেকে প্রবাসী কাইয়ুম খানের পাঠানো ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন তার শ্যালক শাহজালাল হালদার ওরফে সাহা। পরে তিনি তার স্ত্রী ও প্রবাসী কাইয়ুম খানের বোন হালিমা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাটারিচালিত মিশুকে টঙ্গীবাড়ির সেরাজাবাদ এলাকায় যাওয়ার পথে আলদী বাজারের ঋষিবাড়ি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে দুইজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি মুখ বাঁধা অবস্থায় মোটরসাইকেলে এসে টাকার ব্যাগটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর তদন্তে নেমে পুলিশ গত ২৯ জানুয়ারি তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ১০ লাখ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা পুলিশকে জানান, ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর ভায়রা ভাই শাহজালাল হালদার ওরফে সাহা। তিনি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের নাটক সাজান এবং তার দুই বন্ধু খোকন হালদার ও ইকবাল হোসেনকে ইজিবাইক চলাকালে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ছিনতাইয়ের সময় শাহজালাল কোনো ধরনের প্রতিরোধ না করে সহজেই টাকার ব্যাগটি ছেড়ে দেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কেকে/ আরআই