কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকায় শাশুড়ীকে কুপিয়ে হত্যার মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বাড়িতে বসা অবস্থায় শাশুড়ীকে পুত্রবধূ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান।
ঘটনার পর তাৎক্ষণিক পুলিশের অভিযানে অভিযুক্ত ঘাতক ছেনোয়ারা বেগমকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকায় নিজ বসতঘরের একটি কক্ষে বসা অবস্থায় মনোয়ারা বেগমকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত মনোয়ারা (৫৫) বেগম টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাজপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. রফিকের স্ত্রী। অভিযুক্ত নারী একই এলাকার নিহতের ছেলে মো. ইদ্রিসের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম।
এ বিষয়ে টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ছেনোয়ারা বেগমকে আটক করে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত নারী ছেনোয়ারা বেগমের সংসারে তিনটি শিশু সন্তান রয়েছে। এছাড়া শাশুড়ির সঙ্গে তার পুত্রবধূ ছেনোয়ারা বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই তর্ক-বিতর্ক হতো বলে জানা গেছে।
কেকে/এলএ