মাঘের হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। শীতের শেষ সময়ে এসেও এমন তীব্র শীতে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় কর্মজীবী মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ বেড়েছে। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে বা গরম কাপড় ব্যবহার করে শীত মোকাবেলার চেষ্টা করছেন। দিনের বেলায় সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়লে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বাতাসে ধুলোকণার আধিক্যের কারণে সর্দি, কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শুক্রবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি। এছাড়া ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা চার দিন শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করেছে। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
কেকে/এসএএস