বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থিত এমএ আব্দুল কুদ্দুস ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মাপে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। ১০ লিটার তেলের মধ্যে প্রায় এক লিটার এবং প্রতি এক লিটারে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত তেল কম দেওয়ার প্রমাণ হাতেনাতে পাওয়া গেছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাদশা মিয়া ও সাগর নামের দুই গ্রাহক ওই পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করেন। তাদের সন্দেহ হলে তারা পুনরায় পাম্পেই তেল মেপে দেখেন। সেখানে দেখা যায়, ১০ লিটার তেলের জায়গায় মাত্র ৯ লিটার তেল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এক লিটার তেলের ক্ষেত্রে ওজন পাওয়া গেছে মাত্র ৮০০ গ্রাম।
ভুক্তভোগী গ্রাহক বাদশা মিয়া ও সাগর জানান, আমরা ১০ লিটার তেল নিয়ে মেপে দেখি ১ লিটার কম। আমাদের কাছে এর ভিডিও প্রমাণ আছে। সাধারণ মানুষকে এভাবে ঠকানো মেনে নেওয়া যায় না। আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
জানতে চাইলে পাম্পের ম্যানেজার আব্দুল হাকিম ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তবে একে যান্ত্রিক ত্রুটি হিসেবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘মেশিনের সমস্যার কারণে পরিমাণে তেল কম গিয়েছে। বিষয়টি জানার পরপরই আমরা ওই মেশিনটি পরিবর্তন করে ফেলেছি।’
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাম্প এলাকায় সাধারণ মানুষ ও ভোক্তাদের ভিড় জমে যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই পাম্পে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে গ্রাহকদের ঠকানো হচ্ছিল।
ভুক্তভোগীরা পাম্পটির বিরুদ্ধে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কেকে/এমএ