কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি ও মন্ত্রী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দাখিল করে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ সোহেল। আদালত রিটের যথার্থতা না থাকায় সেটি খারিজ করে দেয়। ফলে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মনোনয়ন বৈধই থেকে যায়।
আদালতের রায়ে অসন্তোষ জামায়াত প্রার্থী ফের আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি সেই আপিল শুনানির তালিকায় ১০৮ নম্বরে ছিল। এর পূর্বেই শরীয়তপুর-২ আসনের এক প্রার্থীর দৈত্ব নাগরিকত্বের বিষয়ে শুনানির সময় আইনজীবীরা আদালতকে এ সংক্রান্ত আরো মামলা আছে বলে জানান।
তখন হাইকোর্ট বলেন, দৈত্ব নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ের প্রার্থীরা নির্বাচন করবেন—এতে বাধা নেই। নির্বাচনের ফলাফল ও গেজেটেও আপত্তি নেই।
এদিকে দিনভর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকজুড়ে জামায়াত প্রার্থীর কর্মীরা অপপ্রচার করেন। তারা আদালতকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায় যা আদালতকে অবমাননা হয়।
জামায়াত নেতাকর্মীরা ফেসবুকে লিখেন, কায়কোবাদ সাহেবের আইনজীবীরা আপিল শুনানিতে বিভিন্ন টালবাহানায় দীর্ঘায়িত করতে চাচ্ছে। প্রধান বিচারপতি তাদের কথা থামিয়ে বলেন যে ‘আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত, তারা নির্বাচনে জয় লাভ করলেও ফলাফল ঘোষণা স্থগিত থাকবে’—প্রধান বিচারপতির এ ঘোষণাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আদালত দৈত্ব নাগরিক সংক্রান্ত প্রার্থীদের বিষয়ে বলেছে তারা নির্বাচন করতে পারবেন। ফলাফল ও গেজেটেও সমস্যা নেই। জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকদের অপপ্রচার বিভ্রান্তিকর।”
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন বলেন, “আওয়ামী লীগের মত জামায়াত শিবিরও অপপ্রচার আর মিথ্যাচারের রাজনীতি করে। সারাদিন ফেসবুকে আমাদের নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারই তাদের নির্বাচনি কাজ। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপরাধে তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানাই।”
কেকে/এজে