মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
প্যারোলে মুক্তি মেলেনি ছেলের, বাবার মরদেহ নেয়া হলো কারাগারে
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০০ পিএম

কারাগারের চার দেয়ালে বন্দি থেকেই কানে আসে বাবার মৃত্যুর খবর। ইচ্ছে ছিলো বাবার শেষ বিদায়ের আগে বাবার জানাজায় অংশ নেয়া। কিন্তু সে ইচ্ছে পূরণ হলো না ছেলে মিলন মিয়ার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হলেও বাবার জানাজায় অংশ নিতে মিলেনি মুক্তি। আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে পড়েন উপস্থিত অনেকে।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা কারাগারজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার পানাউল্লারচর এলাকার বাসিন্দা মিলন মিয়া (৪৫)। রাজনৈতিক মামলায় আটক থাকা অবস্থায় মারা যান তার বাবা ফুল মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। 

মঙ্গলবার দুপুরে ভৈরবের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বাবার জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির জন্য গতকালই আদালতে আবেদন করা হয়। কিন্তু আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বুধবার সকালে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মিলনের এক চাচাকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও অন্য স্বজনরা পান সাধারণ সাক্ষাতের সুযোগ। বাবার মরদেহ ছেলেকে দেখাতে ৬০ কিলোমিটার দূর থেকে মরদেহ কারাগারে আনতে হয়েছে।

আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, বাবার জানাজায় অংশ নিতে গতকালেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। তবে সেই আবেদন নামঞ্জুর করে মরদেহ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। কারাগারের ভেতরে বাবার মরদেহ দেখে মিলন বারবার মরদেহের ওপর ঢলে পড়েন। ২০২৪ সালের ১৪ আগষ্ট একটি রাজনৈতিক মালায় মওিলন মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

নিহতের চাচা মতিউর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই মারা গেলে জেলখানায় থাকা ভাতিজাকে প্যারোলে মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত জামিন না মঞ্জুর করায় আমার ভাইয়ের মরদেহ জেলখানায় আনা হয়।’

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার রিতেশ চাকমা বলেন, ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় থেকে পাওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কারাগারের গেটেই মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।’

কেকে/এমএফ


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close