বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) উত্তরাঞ্চলের ৩ জেলায় যাচ্ছেন। প্রথমে ঠাকুরগাঁও, এরপর নীলফামারী হয়ে দিনাজপুর যাবেন। সেখানে জনসভা শেষে নানা-নানী ও খালার কবর জিয়ারত করবেন তিনি। ২ দশকের বেশি সময় পর তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন তারেক রহমান। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনি এলাকায় করবেন সফরের প্রথম জনসভা। তাই, প্রস্তুত হচ্ছে ঠাকুরগাও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। বিএনপির এই নির্বাচনি জনসভায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল।
ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর পৌঁছার পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে জনসভা স্থলে যাবেন তারেক। প্রায় ২ যুগ পর তারেক রহমানকে সরাসরি দেখতে পাওয়ার আশায় উচ্ছ্বসিত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
তারা জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন নিয়ে তারেক রহমানের বহু পরিকল্পনা রয়েছে। দলের চেয়ারম্যান এখানে আসার পর তা বাস্তবায়নে আরও সহজ হবে।
পুলিশ জানায়, তারেক রহমান নির্বাচনি সফরে এখানে আসছেন। তার নিরাপত্তার জন্য যা প্রয়োজন, সব করা হবে।
ঠাকুরগাঁও থেকে নীলফামারীতে জনসভা করবেন তারেক রহমান। এরপর যাবেন দিনাজপুরের বিরামপুরে। যেখানে জড়িয়ে আছে তার মায়ের স্মৃতি। প্রায় ২০ বছর পর তারেক রহমানকে কাছে পাবেন বলে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় ও নেতাকর্মীরা। তারা স্বপ্ন দেখছেন বিএনপি ক্ষমতায় এলে অব্যাহত থাকবে এলাকার উন্নয়নের ধারা।
স্থানীয়রা জানান, এখানে তারেক রহমানের নানার বাড়ি। এখানে তিনি আসলে এই এলাকার উন্নয়ন হবে। গেল ১৫ বছর এই এলাকার কোনো উন্নয়ন হয়নি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারে প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা, তা আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির জনসভায় তাদের উপস্থিতি দিয়ে প্রমাণ করবেন।’
কেকে/এমএ