আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ঘাঁটি ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে কৌশলী জামায়াতে ইসলামী জয়লাভের আশা দেখছে।
বিএনপির আমিনুল ইসলামের ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামীর ড. মু শফিকুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে হাড্ডা-হাড্ডি লড়ায় হবে বলে এ আসনের ভোটার-সমার্থকরা মনে করছেন।
বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন বিএনপির ঘাঁটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনটি পূণরুদ্ধার করতে দলের মধ্যেকার বিভক্তি কাটিয়ে উঠে তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করে ও বিগত ৫ আগস্ট/২০২৪ পরবর্তী আ'লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি দরদী ভূমিকা কাজে লাগিয়ে এবারের নির্বাচনি যুদ্ধে জয়ের মালা বিএনপির গলাই উঠবে।
অন্যদিকে কৌশলী জামায়াত বিএনপির দলের ভিতরের কোন্দোল কাজে লাগিয়ে ও ভাসমান ভোটারের মন জয় করে বিজয়মাল্য জামায়াতের গলাই উঠবে। চুড়ান্ত মনোনয়নের পর থেকেই বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থী ভোটার-সমর্থকদের নিয়ে পাড়া-মহল্লায় কমিটি গঠন, গণসংযোগ ও যুগোপোযোগী প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করে চলছেন।
৪ ফেব্রুয়ারী জামায়াত প্রার্থী তার নির্বাচনি ইসতেহারে ১১টি প্রস্তাবনায় ৫৫টি উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। অপরদিকে বিএনপি দলীয় প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ভোটারদের নিকট থেকে উত্থাপিত এলাকার সমস্যা পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। উভয় প্রর্থীই এ আসনের কৃষকদের সারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত ও শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান এবং জাতীয় ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলছেন।
এদিকে উপজেলা বিএনপি সভাপতি এম মজিদুল হক বলেন, ‘কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আমরা সকলে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। কিন্তু বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আমিনুল ইসলামের অযোগ্য নেতৃত্বের পিছনে আমরাকে ব্যবহার করছেন। ফলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আর এ ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে লাভবান হচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়তের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক ও জেলা জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারী ইয়াহইয়া খালেদ বলেন, সাধারণ ভোটারগণ বিএনপি-আ.লীগের শাসন দেখেছে। এবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে তাদের ঈমানী পরিক্ষা করবেন আশা করছি।
কেকে/বি