মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি গ্রামে স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থক দুই পক্ষের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফিরোজ কবির।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন ও বিএনপি প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতনের সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত লিজনকে (৩০) ঢামেকে প্রেরণ করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ জালাল সরকারকে (৬৫) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকী গুলিবিদ্ধসহ আহতদের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান জানান, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা প্রথমে নোয়াদ্দা গ্রামে প্রচারণা চালান। সেখান থেকে মুন্সীকান্দি গ্রামে ভোট চাইতে গেলে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক উজির আলী ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আওলাদ মোল্লার লোকজন হামলা চালায়।’
পক্ষান্তরে বিএনপি প্রার্থীর ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক উজির আলী বলেন, ‘আমি ঢাকায় থাকি। মুন্সীকান্দি গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন আমার ভাইকে মারধর করলে মারামারি বাঁধে।’
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আতাউর করিম বলেন, ‘ককটেলে আহত লিজন নামে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জালাল নামে অপর আরকেজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত সজিব দে বলেন, ‘সেখানে দুই প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পূর্বের আধিপত্য নিয়ে বিরোধের জের ধরে নির্বাচনের সামনে দুই প্রার্থীর পক্ষে ওই দুইটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’
কেকে/এসএএস