পাবনা–১ আসনের অন্তর্গত ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বৃহস্পতিপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় পাবনা–১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শামসুর রহমানের উপস্থিতিতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে জামায়াতের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন সভাপতি, ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন ওয়ার্ড দায়িত্বশীলরা এবং আওয়ামী লীগের একাধিক সক্রিয় নেতাকর্মী রয়েছেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে ছিলেন মো. আব্দুল আলিম, মো. রাসেল প্রামানিক, মো. রবি মোল্লা, মো. হাবিব প্রামানিক, ওয়াজ আলী, মো. মোয়াজ্জম প্রামানিক, মো. ইলবাজ, মো. বাবু হাজী, মো. রজব আলী, মো. আয়নাল, মো. মালেক, মো. তায়জাল, মো. খালেকসহ আরও অনেকে। তারা সবাই ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বৃহস্পতিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
জামায়াত থেকে বিএনপিতে যোগদান করা মো. রাসেল প্রামানিক বলেন, “আমি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বাংলাদেশের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দায়িত্ব পালন করেছি। বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। সবসময় খোলাখুলি মতামত প্রকাশ করতে পছন্দ করি। ৫ আগস্টের পর দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে সবচেয়ে সচেতন ও যোগ্য মনে করেছি। এই সব কারণ বিবেচনা করে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।”
আরেক যোগদানকারী মো. আব্দুল আলিম বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে আমার চাচা, ভাই ও ভাতিজা মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছিল। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যায়-নীতি বিবেচনা করে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দিয়েছি।”
অনুষ্ঠানে বিএনপি সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শামসুর রহমান বলেন, “আমরা পরিবর্তনের ডাক দিয়েছি। সবাই আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পতাকা তলে আসতে শুরু করেছে। যারা ইতোমধ্যে যোগদান করেছেন, তাদের আমি অভিনন্দন জানাই। সবাইকে মিলেমিশে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
কেকে/এলএ