রংপুর-১ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত নেতা মো. রায়হান সিরাজীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গঙ্গাচড়া মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রায়হান সিরাজী বলেন, ‘আমরা কোনো নিরপরাধ মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানি করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। কারণ, রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের এই ব্যথা আমাদের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না। আমি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, সেবার রাজনীতি করতে চাই।’
‘রংপুর-১ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। এখানকার কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও যুবসমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে জাতীয় সংসদে নির্ভয়ে এই অঞ্চলের মানুষের কথা তুলে ধরবো।’
তিস্তা ইস্যুতে রায়হান সিরাজী বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রশ্ন। আমি নির্বাচিত হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদে নিয়মিতভাবে এ দাবি উত্থাপন করবো এবং এ বিষয়ে সোচ্চার থাকব।’
‘আমি এমন একজন এমপি হতে চাই, যাকে মানুষ সবসময় কাছে পাবে। মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই হবে আমার প্রধান দায়িত্ব।’
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি আগামী নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকারের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান।
গঙ্গাচড়া উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েবুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য দেন রংপুর জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির আব্দুল গনি, সাবেক উপজেলা জামায়াতের আমির শফিকুল আলম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রংপুর জেলা সভাপতি বেলাল আবেদীন, পরশুরাম থানা জামায়াতের আমির মাহাবুব আলম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী রিফাতুজ্জামান, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি মমিনুর রহমান।
কেকে/এমএ