নীলফামারীতে বিএনপিতে যোগদানকারী ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুরুজ আলীর ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন জেলা বিএনপি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরসহ সকল ইউপি সদস্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ অবস্থায় বিএনপিতে যোগ দেওয়া ইউপি সদস্য সুরুজ আলীকে দুই দফায় হেনস্তা করা হয়। সর্বশেষ গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আবারো তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে তাকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে নীলফামারী সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি নুর আলম, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মগনি মাসুদুল আলম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তারা নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার জন্য বিভিন্ন অপচেষ্টা শুরু করেছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এসব কাজ করছেন তারা।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক বলেন, ‘নির্বাচনের সময় পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া, বাক-বিতণ্ডা এগুলো থাকবে, কিন্তু হামলা বা আক্রমণ করা মেনে নেয়া যায় না। এটি পরিকল্পিত। আমরা এর তীব্র নিন্দা এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি।’
এ বিষয়ে কথা বললে অভিযোগ অস্বীকার করে নীলফামারী-২ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী মো. আল ফারুক আব্দুল লতীফ বলেন, ‘জামায়াত কোনো সহিংসতার রাজনীতি পছন্দ করে না। আমাদের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার দেখে তারা মিথ্যা ও বানোয়াট এসব কল্পকাহিনী তৈরি করে আমাদের ওপর মিথ্যা অভিযোগ চাপাচ্ছে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘সুরুজ আলী বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে গতকাল রাতে টাকা বিলি করছিলেন। এ সময় স্থানীয় জনগণ তাকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে যায়। মারধরের কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি’
নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে’।
কেকে/এসএএস