বাংলদেশের ইতিহাসে অতীতে দেখেছি একদল ক্ষমতায় এলে অপর দল পালিয়ে যায়। জামায়েত ইসলামী ক্ষমতায় গেলে কাউকে পালাতে হবে না। খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এড. এয়াকুব আলী চৌধুরী মাটিরাঙা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৫টায় মাটিরাঙা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এক নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হামলা করে হয়রানী করা হবে না। সকলেই স্বাধীনভাবে ব্যবসা বানিজ্য করতে পারবে। পাহাড়ে বসবাসরত সকল সস্প্রদায় শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।’
মেয়েদের বোরকা পরা নিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ দল অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে এয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, ‘জামায়েত ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নাকি সকলকে বোরখা পড়িয়ে দেয়া হবে- এটা অপপ্রচার। ক্ষমতায় গেলে দলমত নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সেবায় কাজ করব। গত ৫৪ বছর মেয়েরা যেভাবে চলেছে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সেভাবেই চলবে।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করে এয়াকু আলী বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের কারণেই আজ মুক্ত আকাশের নিচে নির্বাচনি সভা ও নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পেরেছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর লন্ডনে গুপ্তস্থানে ছিলেন। জুলাই যোদ্ধাদের কারণে গুপ্তস্থান হতে দেশে এসে প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারণা করছেন।’
বিএনপি বাংলাদেশের রাজনিতীতে একা হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত দেড় বছরে তাদের বিভিন্ন অপকর্মের কারণে মানুষ জামায়াতে ইসলামীর দিকে ঝুঁকছেন।’
১২ তারিখ নির্বাচনে জামায়াতের ভূমিধস বিজয় হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়াকে ইঙ্গিত ও মাটিরাঙ্গার জনগণকে উদ্যেশ্য করে এয়াকু আলী চৌধুরী বলেন, ‘আপনাদের নেতা যদি পাশ না করেন আমেরিকা গিয়ে বসবাস করতে পারবেন। ওনার যদি আমেরিকা যাওয়ার সামর্থ্য থাকে তাহলে ভোট চাওয়া প্রযোজ্য হচ্ছে না। খাগড়াছড়িতে এখন আর ধানের ছড়ার জনপ্রিয়তা নেই।
খাগড়াছড়ির উন্নয়ন ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে দাড়িপাল্লায় ভোট দিতে আহ্বান জানান তিনি।
এসময় খেলাফত মজলিস ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় শরীক জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দগন উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/বি