নির্বাচিত হলে হাতিয়ার উত্তর-দক্ষিনে কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে দুইটি উপজেলা করে হাতিয়াকে জেলা ও নোয়াখালীকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ওছখালী কে এস এস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোটের শেষ নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, আমাদের রাজনীতি হলো হাতিয়াকে গোলামির রাজনীতি থেকে মুক্ত করা। আমাদের রাজনীতি হলো সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার। ঘাটে দীর্ঘদিনের সেন্ডকেট ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। কাউকে চাঁদাবাজী করতে দেওয়া হবে না। রাজনীতি করতে হলে সবাইকে জবাবদীহিতার মধ্যে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, কেউ যদি আমাদেরকে আঘাত করে আমরা পাল্টা আঘাত করব না, কেউ যদি আমাদের উপর হামলা করে আমরা পাল্টা হামলা করব না। আমরা প্রতিশোধ না নিয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে হয়ে নতুন হাতিয়া গড়ে তুলবো।
হাতিয়াবাসীর উদ্দেশ্যে নিজের নির্বাচনি ইশতিহার ঘোষনা করে তিনি বলেন, এই ইশতেহার হলো সিএনজি চালকের ইশতেহার, এটা ঘাটের শ্রমিকের ইশতেহার, এখানে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। প্রায় ৩৫ মিনিটের বক্তব্যে তিনি ইশতেহারে নদী ভাঙ্গন রোধ, বেড়ীবাধ নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, পর্যটন ও নদী বন্দর স্থাপনের কথা বলেন তিনি।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাস্টার বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাও. নুর উদ্দিন মেশকাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর শাহবাগ থানার আমির অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক, জামায়াতের পৌর মেয়র প্রার্থী সাব্বির আহমেদ তাফসির, এলডিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেন বাবুল, উপজেলা এনসিপি সভাপতি সামছুল তিব্রিজ, পৌরসভা এনসিপি সভাপতি মহিবুর রহমান, হাতিয়া উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি আবদুল ওহাব বাবুল, ছাত্রশক্তি আহবায়ক নেয়ামত উল্লাহ নিরব।
এর আগে ১১ দলের নির্বাচনি জনসমাবেশ উপলক্ষে হাতিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা ভিন্ন ভিন্ন মিছিল নিয়ে সভা স্থলে আসেন। বিকাল ৪টার পর সাধারণ কর্মীদের উপস্থিতিতে মাঠটি কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।
কেকে/ এমএস