আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯০টি ঝুঁকিপূর্ণ।চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। চৌদ্দগ্রামে মোট কেন্দ্র ১২৭টি। এর মধ্যে ৯০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
‘তাই ঝুঁকিপূর্ণসহ প্রত্যেক কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন আনসার, ৩ জন পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।’
জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের দক্ষিণ বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার মো. এমদাদ উল্লা বলেন, ‘প্রতি নির্বাচনের আগে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ও কঠোরতার কথা শোনা যায়। এর আগেও ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করতে দেখেছি। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে সেসব কোনো কাজে আসেনি।’
এবার অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আয়োজিত নির্বাচন ব্যতিক্রম হবে বলে প্রত্যাশা করেন এই ভোটার।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, ‘কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবেন।’
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন জামায়াতের সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, বিএনপির মো. কামরুল হুদা, জাতীয় পার্টির (নাঙ্গল) মাইন উদ্দিন মিঁয়াজী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিউদ্দিন পাটোয়ারী শহীদ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মো. ইউসুফ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আফম আবদুর রহিম, গণফ্রন্টের আলমগীর হোসেন।
কেকে/এমএ