ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে আগামীকাল সকাল থেকে। রাত পোহালেই দেশের অন্যান্য আসনের মতো পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনেও ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে কেন্দ্রে যাবেন।
নির্বাচনের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে এই আসনের ভোটের সমীকরণ কিছুটা বদলে যাচ্ছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। প্রচারণার শেষ দিনগুলোতে মাঠে সক্রিয়তা বেড়েছে, পাল্লা দিয়ে চলছে প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের গণসংযোগ।
চাপা উত্তেজনায় নির্বাচনি এলাকা :
চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও শহরাঞ্চলে প্রার্থী, নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে—এ নিয়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার পর্যন্ত চলছে নানা আলোচনা।
স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই বলছেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে সামনে রেখে তারা ভোট দেবেন।
শেষ মুহূর্তের দলীয় নেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মীদের সংগঠিত করতে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে শেষ সময়ে ভোটের সমীকরণ পাল্টে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে মাঠপর্যায়ে জোটগত সমর্থন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের অবস্থান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপস্থিতি।
সহিংসতার বড় ঘটনা নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক :
এখন পর্যন্ত এই আসনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। তবে ভোটের দিন যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না ঘটে সেজন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য বাহিনী টহল জোরদার করেছে। নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভোটারদের প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন :
এলাকার সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। অনেক ভোটারই বলছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণই হবে গণতন্ত্রের মূল শক্তি।
সব মিলিয়ে রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে পাবনা-৩ আসনের গুরুত্বপূর্ণ ভোটযুদ্ধ। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে কে হচ্ছেন এই আসনের আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি।
কেকে/ এমএস