কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) নির্বাচনি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। ড. রেদোয়ানের ধানের শীষের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীক কলস।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের মাধ্যমে জনতার রায়ে নির্বাচিত হবেন এই আসনের জনপ্রতিনিধি।
ড. রেদোয়ান আহমেদ এই আসন থেকে এর আগে ৬ বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে শাওন এই প্রথম কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এই আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন— ১১ দলীয় জোট প্রার্থী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের মাওলানা সোলাইমান খাঁন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের মাওলানা এহতেশামুল হক কাসেমী এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট প্রার্থী ছড়ি প্রতীকের সজল কুমার কর।
এই আসনে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৬ জন। মোট ভোটার ৩ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬ জন। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১০৫টি ভোটকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দিনব্যাপী চান্দিনা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম প্রেরণ করা হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসারগণ স্ব স্ব ভোটকেন্দ্রের সরঞ্জাম সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গ্রহণ করেছেন।
ভোটকেন্দ্র ও ভোটারদের নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র্যাবের সদস্যরা নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে কাজ করছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য কেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, “১০৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৯টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে ৩ জন করে পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আমরা আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।”
কেকে/এলএ