কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের সম্ভাবনা দেখছে না প্রশাসন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মাঠে কাজ করছে যৌথ বাহিনী। নির্বাচনের একদিন আগে থেকেই তারা মাঠে নেমেছে। কেউ যদি কোনোভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে, তা প্রতিহত করার দায়িত্ব প্রশাসনের বলে জানানো হয়েছে।
ভোটারদের নিঃসংকোচে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন কক্সবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান। তিনি বলেন, “নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন। ভোটাররা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে সব বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।”
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।
ডিসি বলেন, “সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে জেলার ৫৯৮টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছেও বডি ক্যামেরা থাকবে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।”
পুরো জেলায় সাড়ে সাত হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। জেলায় সাড়ে ১৮ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, “নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আশা করছি ১২ তারিখের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হবে। জেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে, যা জেলা প্রশাসন থেকে মনিটর করা হবে। যেখানেই অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা দেখা যাবে, সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাবে যৌথ বাহিনী।”
ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/এলএ