সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের ভোট পুনর্গণনা ও ঘোষিত ফলাফল স্থগিত চেয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “ভোট পুনর্গণনা ও ঘোষিত ফলাফল স্থগিত চেয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এম. আকবর আলী একটি আবেদন করেছেন। আমরা নির্বাচন কমিশন বরাবর তা পাঠিয়ে দিয়েছি। তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই হবে।”
শুক্রবার বিকেলে এম. আকবর আলী বলেন, “কেন্দ্রভিত্তিক ১৪৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক ৭ শতাধিক ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে ছিল। এরপর উপজেলা কার্যালয় থেকে ফলাফল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।”
“সেখানে আমাদের উপস্থিতি ছাড়াই তাতে পোস্টাল ব্যালটের ভোট যুক্ত করে বেসরকারি ফলাফলে আমাকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়। ভোট গণনার সময় অস্বাভাবিক পরিমাণে ভোট বাতিল করা হয়েছে, যা সন্দেহজনক।”
এ ছাড়া নির্বাচন চলাকালে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তোলেন এ প্রার্থী। অভিযোগের কপি নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, “এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন কমিশনে যাব। সেখানেও যদি ন্যায়বিচার না পাই, তাহলে আমি আদালতে মামলা করব।”
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খানকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার আমিনুল ইসলাম। এতে রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। মাত্র ৫৯৪ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন রফিকুল ইসলাম খান। এ আসনটি ছাড়া জেলার বাকি ৫টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।
কেকে/এলএ