বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই তাদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম অংশ না পাওয়ায় এই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তারা হলেন: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির প্রার্থী শিপন কুমার রবিদাস, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী খান কুদরত ই সাকলায়েন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৬৭ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮০টি বৈধ ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৭০.০২ শতাংশ।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তার জামানত রক্ষা করতে হলে মোট কাস্টিং হওয়া বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। সেই হিসেবে বগুড়া-৫ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে হলে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৪৯,৮২৩ ভোট পেতে হতো। কিন্তু বড় দুই দল বাদে বাকি তিন প্রার্থীর কেউই এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেননি।
কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের বিশদ: মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু (হাতপাখা) – ৫,৫৪০ ভোট (বৈধ ভোটের ০.০১৩ শতাংশ), শিপন কুমার রবিদাস (কাস্তে) – ১,৭৭৪ ভোট (বৈধ ভোটের ০.০০৪ শতাংশ), খান কুদরত ই সাকলায়েন (ছাতা) – ১,১২৮ ভোট (বৈধ ভোটের ০.০০২ শতাংশ)।
ফলস্বরূপ, এই ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
কেকে/এলএ