ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ৯ প্রার্থীর। তবে ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মূল লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল ২ প্রার্থীর মধ্যে। বাকি ৭ জন ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন-স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস)- ২০১ ভোট, স্বতন্ত্র ওমর ফারুক (ঘোড়া)- ২০৩ ভোট, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ (হাত পাখা)- ৬৩৮৯ ভোট, বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজীত ধীমন (মোটরগাড়ি)- ১৪৪ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম (হাতি)- ৪০৩ ভোট, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির শফিউল বাসার (ঈগল)- ৫১১ ভোট এবং জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেখার হাসান (লাঙ্গল)- ৬১৯ ভোট পেয়েছেন।
দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার ফল মিলিয়ে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১৪০৩০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল পেয়েছেন ৯০৪৯৯ ভোট। ২ প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৯২০৮।
এ আসনে মোট বৈধ পোস্টাল ভোট পড়েছে ৫৭২৪টি। এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রতীক ধানের শীষ পেয়েছে ১১৩৫ ভোট। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুলের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৪৩৪৬ ভোট। আর ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী বশির আহমেদের প্রতীক হাতপাখা পেয়েছে ১১৩ ভোট।
এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম খোলা কাগজকে বলেন, ‘নির্বাচনি আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে ১/৮ অংশ, অর্থাৎ ১২.৫% ভোট না পেলে প্রার্থীর নিরাপত্তা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের হিসাবে ন্যূনতম ২৯৯০৮ ভোট না পেলে জামানত রক্ষা করা সম্ভব নয়।
ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে, এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কার্যত দ্বিমুখী ছিল। অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনি লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পারেননি।
কেকে/বি