ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
মোট প্রদত্ত ভোটের এক–অষ্টমাংশ না পাওয়ায় তারা জামানতের অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ইসলামী আন্দোলনের এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলীও জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবির শিপন কুমার রবিদাস নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। ফলে তারাও জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের প্রার্থী দিলরুবা জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলামও ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বলেন, “আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক–অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়া প্রার্থীদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়। বগুড়ায় এবার ২০ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে সেই বিধান কার্যকর হয়েছে।”
কেকে/এলএ