ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা) কে ৪৯ হাজার ৮২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনিরুজ্জামান বাহলুল পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৭৯ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে বশির আহমেদ (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৭১ ভোট, সৈয়দ মো. ইফতেখার আহসান (লাঙ্গল) ১ হাজার ৫৯ ভোট, মো. সফিউল বাসার (ঈগল) ৪৭৫ ভোট, মোহাম্মদ আবুল কালাম (হাতি) ৩৮৬ ভোট, ওমর ফারুক (ঘোড়া) ২২৩ ভোট, আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস) ২২১ ভোট এবং বড়ুয়া মনোজিত ধীমন (মোটরগাড়ি) পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৪৫টি। এর মধ্যে দাউদকান্দি উপজেলায় ১০৭টি এবং মেঘনা উপজেলায় ৩৮টি কেন্দ্র। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৭৪টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৬০টি। গড় ভোটদানের হার ছিল প্রায় ৫৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই উপজেলাতেই ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এগিয়ে ছিলেন। মেঘনা উপজেলায় সবকটি কেন্দ্রেই তিনি বিজয়ী হন। সেখানে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯১১ ভোট এবং দাউদকান্দি উপজেলায় পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৯৪ ভোট।
নির্বাচন বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এই আসনে বশির আহমেদ (হাতপাখা), সৈয়দ মো. ইফতেখার আহসান (লাঙ্গল), মো. সফিউল বাসার (ঈগল), মোহাম্মদ আবুল কালাম (হাতি), ওমর ফারুক (ঘোড়া), আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস) এবং বড়ুয়া মনোজিত ধীমন (মোটরগাড়ি)-এর মনোনয়ন জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার এবং মেঘনা উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের স্বাক্ষরিত পৃথক বার্তা প্রেরণ শিটের মাধ্যমে ফলাফল নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেকে/এলএ