গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় যমুনা সার কারখানায় আবারও ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে প্রয়োজনীয় চাপের নিচে নেমে আসায় উৎপাদন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানা সূত্র জানায়, রোববার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে গ্যাসের চাপ কমে ৮ দশমিক ২ কেজিতে নেমে আসে। এতে উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে চালানো সম্ভব না হওয়ায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সাধারণ কৃষকরা জানায়, ‘কয়েক দিন পর পর যদি ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ করা হয় তাহলে আমাদের ফসলের কি হবে। বেড়ে যাবে সারের দাম। ক্ষতি হবে আমাদের ফসলের। বেশিরভাগ নিম্ন আয়ের কৃষকের মাথায় হাত। কারণ এভাবে চলতে থাকলে বউ-বাচ্চা নিয়ে পথে বসতে হবে। এর প্রতিকার করা জরুরী। এ যন্ত্রণা থেকে স্থায়ী সমাধান চাই।’
কারখানার জিএম (অপারেশন) মো. ফজলুল হক বলেন, ‘সকাল পৌনে ৯টায় গ্যাসের চাপ হঠাৎ কমে যায়। নিয়মিত উৎপাদন ধরে রাখতে কমপক্ষে ১০ কেজি গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হয়। চাপ কমে যাওয়ায় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত কারণে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ‘গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।’
কারখানার উপ মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহে স্বাভাবিক চাপ না থাকায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। চাপ বাড়লে যেকোনো সময় আবারও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা যাবে।’
শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার মতো ঘটনায় উৎপাদন বারবার বন্ধ হলে সার সরবরাহ ও কৃষি মৌসুমে প্রভাব পড়তে পারে।’
তাই গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্প সংশ্লিষ্টরা।
কেকে/বি