মানিকগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে স্থানীয় পর্যায়ে। নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের আলোচনায় উঠে আসছে তার নাম।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি ইতোমধ্যে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। নির্বাচনি প্রচারণায়ও অবকাঠামো, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি, যা ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার পারিবারিক রাজনৈতিক পটভূমিও জনমনে প্রভাব ফেলেছে। তার পিতা সামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়া শিল্পমন্ত্রী থাকাকালে গ্রাম পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণ, জেলা উন্নয়ন এবং ঢাকার সঙ্গে মানিকগঞ্জের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। নিয়মিত বাস সার্ভিস চালুর ফলে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সুবিধা তৈরি হয় এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতিশীল হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, সেই উন্নয়ন ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই মঈনুল ইসলাম খান শান্ত আধুনিক ও টেকসই উন্নয়নের পরিকল্পনা সামনে নিয়ে কাজ করতে চান। ফলে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তারা মনে করছেন।
মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা—দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেবে। এতে স্থানীয় উন্নয়ন যেমন ত্বরান্বিত হবে, তেমনি জাতীয় পর্যায়েও তার ভূমিকা কার্যকর হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেকে/এমএফ