সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
জামানত হারালেন ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

দাদা মশিউর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত সিনিয়র মন্ত্রী, বাবা শফিকুল গানি স্বপন ছিলেন প্রভাবশালী মন্ত্রী। অথচ সেই রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি জেবেল রহমান গানি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়ে হারিয়েছেন জামানত। এমনকি বাতিল হয়ে যাওয়া ভোটের চেয়েও ১ হাজার ৭৩২ ভোট কম পেয়েছেন তিনি।

নীলফামারী-১ আসনে বাতিল হয়েছে ৬ হাজার ২০৯ ভোট। আর বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রিয় সভাপতি জেবেল রহমান গানি নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে গাভি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৭৭ ভোট, যা বাতিল হওয়া ভোটের চেয়েও কম।

এ আসনে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। তিনিও ১ লাখ ২০ হাজারের মতো ভোট পেয়েছেন।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনেও জেবেল পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৯৯২ ভোট।

জেবেল রহমানের দাদা ছিলেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় সিনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে বড় ছেলে শফিকুল গানি স্বপন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গঠিত জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রিসভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

জেবেল রহমানের ফুফু মনসুরা মহিউদ্দিনও নীলফামারী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মামুন বলেন, “একসময় পরিবারটির প্রভাব ও জনপ্রিয়তা শীর্ষে থাকলেও সময়ের সঙ্গে তা ম্লান হয়েছে। তার বাবা-দাদার সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকলেও জেবেল রহমানের সঙ্গে মানুষের তেমন একটা সম্পর্ক নেই।”

মাসুম নামে এক ভোটার বলেন, “ভোটের সময় ছাড়া তাকে পাওয়া যায় না। আর তাকে পাওয়া না গেলে মানুষ তাকে ভোট দেবে কেন?”

সংবাদকর্মী আলমগীর বলেন, “কেন্দ্রিয় সভাপতি হলেও তার দলের এখানে কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নেই। শুধু ভোটের সময় হারার জন্যই তিনি এখানে আসেন।”

শফিকুল গানি স্বপন মারা গেলে জেবেল রহমান গানি বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান হন। ২০১৮ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও দুবারই তিনি প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় জামানত হারান।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, “নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।”

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  জামানত   ন্যাপ চেয়ারম্যান   জেবেল রহমান  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close