মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা      ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ বারের এমপিসহ জামানত হারালেন ১৪ প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

সদ্য সমাপ্ত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলার সংসদীয় তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪ জন প্রার্থীরই। এ তালিকায় রয়েছেন ৫ বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্যও, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই চিত্র শুধু জয়-পরাজয়ের হিসেব নয়, বরং জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং অভিজ্ঞতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনের মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জামানত ফেরতযোগ্য থাকে না। সেই নিয়ম অনুসারেই জেলার অধিকাংশ প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম।

ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন পাঁচজন । তারা হলেন গণঅধিকার পরিষদ-এর ফারুক হাসান, জাতীয় পার্টির নুরুন নাহার বেগম, এবি পার্টির নাহিদ রানা, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ-এর রেজাউল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাহাবউদ্দিন আহমেদ।

ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনে দশজন প্রার্থীর মধ্যে আটজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছেন পাঁচবারের সাবেক সাংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও জামানত হারিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদ-এর মামুনুর রশিদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আল আমিন, সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমির শাহাজাহান আলম, বাংলাদেশ মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-এর এস এম খলিলুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওয়ালিউল্লাহ জানান, বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশের কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলায় ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে যারা নির্বাচন করেছেন তারা বাদে অন্য প্রার্থীদের জামানত ফেরতযোগ্য হয়নি।

এই ফলাফল স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে ছোট ও নতুন দলগুলোর প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে তাদের শক্ত অবস্থান গড়তে পারেননি। বিশেষ করে একাধিকবার নির্বাচিত অভিজ্ঞ প্রার্থীর জামানত হারানো নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে। 

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close