যশোরের কেশবপুর উপজেলায় অধ্যক্ষের সই জাল করে পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগের প্রতিবাদে ও জালিয়াতি চক্রের হোতাকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের হল রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ প্রতিবাদ ও দাবি জানান ভরতভায়না এবিজিকে ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রহমাতুল্যাহ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. রহমাতুল্যাহ বলেন, ‘আমি ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি। যোগদানের পর একটি জালিয়াতি চক্র আমার স্বাক্ষর জাল করে ‘কেয়া খাতুন’ নামে এক ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মী’ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। যা আমি জানি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল নিয়োগের কিছু কাগজপত্র হাতে পেয়ে জানতে পারি, আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণসহ তদন্তপূর্বক অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মী’ যেন এমপিও ভুক্ত হতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি।’
মো. রহমাতুল্যাহ জালিয়াতি চত্রের মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ প্রাপ্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মী কেয়া খাতুনকে আইনের আওতায় এনে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
কেকে/এমএ