রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার নির্দেশনা থাকলেও পাবনার ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলায় তা মানছে না পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে সাহরী ও তারাবির নামাজের সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবির নামাজ শুরুর আগে ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ চলে যায়।
নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মসজিদে মসজিদে মোমবাতি বা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে তারাবি নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। রাত এগারোটার দিকে বিদ্যুৎ আসে। আবার রাতে সাহরীর সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। তবে রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সাহরী, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সম্রাট হোসেন বলেন, ‘রোববার তারাবি নামাজের সময় বিদ্যুৎ ছিল না। রাত এগারোটার দিকে বিদ্যুৎ আসে। মসজিদে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে নামাজ আদায় করতে হয়েছে।’
ফরিদপুর উপজেলার সুরুজ আলী বলেন, ‘তারাবির সময় তো যায়ই আবার সাহরীর সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। মোমবাতি জ্বালিয়ে সাহরী খেতে হয়েছে।’
এ বিষয়ে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভাঙ্গুড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সেকেন্দার আলী বলেন, ‘গতকাল গ্রিডে কারিগরি ক্রটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করে বিদ্যুৎ চালু করা হয়। তবে বর্তমানে লোডশেডিং নেই।’
কেকে/এসএ