দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীর কবির।
আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি প্রফেসর ড. মো. এরফান আলী খোন্দকার, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান, ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান, জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. এসএম এমদাদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নওশের ওয়ান।
এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষক, ছাত্রদলের নেতাকর্মী, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদ এবং জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
হাবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা সকলকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘পবিত্র মাহে রমজান সংযমের মাস। ইফতার মাহফিলের আয়োজন ধর্মীয় গাম্ভীর্যের সৃষ্টি করে। এমন আয়োজনের মাধ্যমে একে অপরের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে।’
শিক্ষকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘আপনাদের সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি বৃদ্ধি করতে চাই।সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব। আমি এখানে যোগদানের পরেই সকলের নায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বৈষম্য নিরসনে সর্বদাই কাজ করবো।’
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ হাবিপ্রবির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. এরফান আলী খোন্দকার সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, ‘আজকের এই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আপনারা আমাদের আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ সর্বদা শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের নায্য অধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করে। আমাদের সংগঠন সবসময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে সহযোগিতা করে যাবে।’
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ হাবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধের সোচ্চার কন্ঠ। আমাদের সংগঠন নায্য অধিকার আদায়ের জন্য বদ্ধ পরিকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পক্ষের অধিকার নিয়ে আমরা কাজ করি এবং ভবিষ্যতেও করবো।’
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য লড়ে গিয়েছেন। আপোসহীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াও কখনো অন্যায়ের কাছে আপোস করেননি। তাদেরই সুযোগ্য পুত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শত বাঁধাকে উপেক্ষা করে এদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, জনমানুষের কল্যাণে কাজ করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সকলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া রাখবেন তিনি যেন সুস্থ শরীরে এদেশের মানুষের জন্য আমৃত্যু সেবা করে যেতে পারেন। সেইসাথে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া কামনা করেন।’
কেকে/বি