কক্সবাজারের কলাতলীতে এন আলম গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের খোজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় 'এন আলম' নামক একটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে ।
লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করে অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে খোজখবর নেন এবং যারা আহত হয়েছে তারা এখন কেমন আছে তা জানতে চান। আমি বিস্তারিত জানিয়েছি।’
তিনি জানান, ‘কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বার্ন ইউনিট না থাকায় সম্প্রতি এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’
আহত ও ভোগান্তি :
এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন দগ্ধ হন [১.৪.৪]। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে কোনো বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট না থাকায় গুরুতর দগ্ধ ৬-১০ জন রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয় । দীর্ঘ এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে রোগীদের অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে ।
প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ :
ঘটনার ভয়াবহতা এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার সীমাবদ্ধতার কথা জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন । তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রোগীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছ্।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা :
সরকার ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে বড় পরিসরে বার্ন ইউনিট স্থাপনের কাজ শুরু করেছে । এছাড়া কক্সবাজারের মতো পর্যটন শহরে একটি আধুনিক বার্ন ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা বর্তমানে জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে ।
বর্তমানে চমেক হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক এবং তাদের আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে আহতদের আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
কেকে/বি