নওগাঁর পত্নীতলায় প্রতিমা রাণী (২৪) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি শ্মশানঘাট থেকে নিহত গৃহবধূর স্বামী প্রদীপ চৌধুরীকে (৩৭) আটক করে পুলিশ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুশারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের উজিরপুর চৌধুরীপাড়া এলাকায় নিহত গৃহবধূর মরদেহটি নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোন এক সময়ে ওই গৃহবধূ দাম্পত্য কলহের জেরে তার স্বামীর হাতে খুন হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার রাতে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে স্ত্রীর কপালে আঘাত করে প্রদীপ। সেই আঘাতে অচেতন অবস্থ্যায় বিছানায় পড়ে যায় গৃহবধূ প্রতিমা রাণী। এ অবস্থ্যাতেই স্ত্রীকে নিয়ে রাত্রীযাপনের পর সকালে প্রদীপ লক্ষ্য করেন প্রতিমা রাণী মারা গেছেন। তাৎক্ষণিক সে বাড়ি থেকে শ্মশানঘাটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর প্রতিমার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দেয়।’
পত্নীতলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম পাঠিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধারের পর নিহতের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করা হয়েছ। প্রতিমা রাণীর বাবা নরেশ চৌধুরী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।’
কেকে/বি