ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় অনেক ইউনিয়নে সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে আগের বছরগুলোতে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের অংশগ্রহণে গম চাষে বড় ধরণের উন্নতি এসেছে।
শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে। এ বছর উপজেলায় মোট ৪০৫ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছে। শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গমের আবাদ হয়েছে। একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, ‘সেচ সংকট থাকা সত্ত্বেও আমরা সময় মতো পরামর্শ, বিকল্প ব্যবস্থা এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি আবাদে আনতে পেরেছি। কৃষকরাও এখন গম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চ ফলনশীল এবং রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম ৩৩ এবং ডাব্লিউএমআরাই-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের জন্য বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় চার টন বীজ সংরক্ষণ করা হবে।’
কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের সম্প্রসারণে কৃষকের আয় বাড়াবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করবে।
কেকে/এসএ