বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে নীলফামারী জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে শিক্ষার্থীদের।
শুক্রবার (৬ মার্চ) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিংয়ের অধীনে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ষষ্ঠ ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪৪৩জন। এ প্রশিক্ষণ কোর্সের আসনসংখ্যা রয়েছে ৭৫টি। প্রতিষ্ঠানটির পঞ্চম ব্যাচে একই সংখ্যক আসনে ভর্তি প্রতিযোগিতা করেছে ১৯৩ জন।
জেলা যুব উন্নয়ন দপ্তর সূত্র জানায়, বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিন মাসের ওই কোর্সে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও সফট স্কিল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে পাচঁটি ব্যাচে মোট ৩০০ জন যুবক-যুবতী প্রশিক্ষণ নিয়ে ৬০ ভাগের অধিক সংখ্যক সরাসরি আয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। প্রশিক্ষণকালীন দৈনিক ২০০ টাকা করে ভাতা, সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ উপকরণ দেওয়া হয়। সরকারের প্রত্যক্ষ তদারকির ফলে প্রকল্পটি দেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা তৈরির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ছবি রানী জানান, শুক্রবার জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে ষষ্ঠ ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তির জন্য এবার আবেদন পড়েছে এক হাজার ২০০টি। তাদের মধ্যে ৭৫টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪৪৩জন।
এর আগে পঞ্চম ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৯৩ জন। লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ শেষে আগামীকাল শনিবার (৭ মার্চ) মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাসান আলী জানান, প্রকল্পটির মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে আত্মকর্মসংস্থান, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে। সরকারের প্রত্যক্ষ তদারকির ফলে প্রকল্পটি দেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা তৈরির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ব্যাপক সাড়া ফেলছে। এমন সাড়ায় দিন দিন ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
কেকে/ এমএস