নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী কৃষক ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ন্যায় বিচারের দাবিতে ধামইরহাট থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) প্রকাশ্যে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষক মাহিনুর রশিদ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রসুলবিল (রাঙ্গামাটি) এলাকার মৃত সাদেকুল ইসলামের ছেলে মাহিনুর রশিদ (৪১) দাতা দানেশ উদ্দিন চৌধুরী কর্তৃক কেনা জমির মালিক বটে। রসুলবিল মৌজার ২৬০ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৫২৩ দাগে ৩ একরের কাতে ২ একর সম্পত্তি কিনে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছেন। প্রতিপক্ষ রসুলবিল দক্ষিণ পাড়া গ্রামের প্রভাবশালী জব্বার চৌধুরীর ছেলে রেজুয়ান চৌধুরী ও জামাল চৌধুরী, রেজুয়ান চৌধুরীর ছেলে শুভ চৌধুরী, স্ত্রী মুসলেমা বেগম ও জামাল চৌধুরীর স্ত্রী নুরবানু বেগমদের সাথে তার দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং ১২৫পি/২৬ মোতাবেক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা বিদ্যমান।
আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শুক্রবার দিনের বেলায় রেজুয়ান চৌধুরী গং জমিতে রোপণকৃত সরিষা জোরপূর্বক কেটে নেয় বলে মাহিনুর রশিদ অভিযোগ পত্র উল্লেখ করেন।
এর আগেও প্রতিপক্ষ মাহিনুর ও তার চাচাদের কলাবাগানের সম্পত্তি ২ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি করেছিল বলেও অভিযোগে জানানো হয়।
মাহিনুর রশিদ বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও রেজুয়ান চৌধুরী গং জোর করে আমার সরিষা কেটে নিয়েছে, আমি ন্যায় বিচার চাই।’
অভিযুক্ত মুসলেমা বেগম বলেন, ‘আমরাই ওই জমির মালিক, মামলায় আদালত কর্তৃক আমাদের জমি বুঝে দেওয়া হয়েছে। আর সরিষা যেহেতু আমরাই রোপণ করেছি, তাই আমরা সেই সরিষা কেটেছি। তবে, আমরা অন্যের জমির সরিষা কাটি নাই, আমাদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা।’
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমার নলেজে নেই, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এমএ