মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      
খোলাকাগজ স্পেশাল
ছাত্রলীগের ভূমিকায় বৈষম্যবিরোধীরা
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ এএম আপডেট: ১০.০৩.২০২৬ ১০:১১ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একের পর এক অস্থিরতা যেন লেগেই আছে। এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষ না থামতেই আরেকটিতে শুরু হয়। কোনটাতে বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশে অচলাবস্থা না কাটতেই আবার শুরু হয় ‘মব’-এর নামে পেটানোর অপসংস্কৃতি। কখনো কখনো নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আবার কখনো আহত করে থানা-পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এসব ঘটনায় সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়, ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্রসমাজ। 

ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দিনে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা, বুয়েটে আবরার ফাহাদ হত্যা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদকে পিটিয়ে হত্যা সারা দেশে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে ওই সময়। এমনি একটি ঘটনা দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি আবারও সংঘটিত হয়েছে। ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধর করার পর পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

তবে এই ঘটনার মাধ্যমে নয়া বন্দোবস্তের নামে আবার পুরোনো ধারা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, রাজনেতিক আদর্শ বা ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে যদি কাউকে পেটানো হয়, তাহলে পরিবর্তন তো হয়নি কিছুই, আগের ধারাই রয়ে গেল। আগে ছাত্রলীগ পেটাতো, আর এখন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররা পেটাচ্ছে। মনে হচ্ছে ছাত্রলীগের ভূমিকা এখন বৈষম্যবিরোধীরা পালন করছে।   

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে কয়েক দফা মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। মারধরের পর তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। বর্তমানে তিনি পুলিশি তত্ত্বাবধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গতকাল সোমবার ভোরে সেহরির সময় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সর্দার নাদিম মাহমুদ শুভ, জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন, আবরার। এর মধ্যে সর্দার নাদিম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন। পরে তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সঙ্গে যুক্ত হন।

ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল বলেন, তিনি বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহরি খেতে গিয়েছিলেন। সেখানে ছাত্রশক্তির হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন, আবরারও ছিলেন। তাদের নেতৃত্বে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন তাকে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে।

পাভেলের ভাষ্য অনুযায়ী, মারধরের সময় বাইকের চাবি দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হয়। বেল্ট দিয়েও তাকে পেটানো হয়। দুই পায়ের ওপর দাঁড় করিয়ে মারধর করা হয় এবং পরে মাটিতে ফেলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাথি দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, তার দোষ থাকলে পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলা হলেও তার কথা শোনা হয়নি। বুয়েট থেকে তাকে মারধর করে পলাশীতে নেওয়া হয়। সেখানে আবারও মারধর করা হয়। এরপর তাকে বাইকে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এনে কয়েকজন কিল ঘুষি মারেন। পরে শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে শাহবাগ থানায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

ঘটনার পর ফেসবুকে একটি পোস্টে মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ লেখেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি। শাহবাগ থানায় নিয়ে যাচ্ছি। লীগ প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

শাহবাগ থানার তদন্ত পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, সেহরির সময় ছাত্রশক্তির কয়েকজন তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি জানার পর শাহবাগ থানাকে ওই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। 

ঢাবিতে মানববন্ধন

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থি শিক্ষার্থীরা। ‘সন্ত্রাসবিরোধী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্য্যানারে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেন তারা।

এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (একাংশ) ঢাবি শাখার সদস্যসচিব অদিতি ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তি নামক সংগঠনের কর্মীরা একজনকে পাঁচ দফায় পিটিয়েছে, শিকল দিয়ে মেরেছে এবং তার আঙুল থেঁতলে দিয়েছে। এই ধরনের অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী রাফিউর জামান জুয়েল বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য। কিন্তু বর্তমানে জুলাইয়ের দোহাই দিয়ে যে মব কালচার তৈরি করা হচ্ছে, তা ওই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি। এরা জুলাইয়ের সামাজিক চুক্তিকে ভঙ্গ করে ছাত্র রাজনীতিকে ভঙ্গুর করছে, যাকে জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলা হয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আবু মুজাহিদ আকাশ বলেন, ‘যদি কেউ পূর্ববর্তী সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকে কিংবা কোনো অপরাধ করে থাকে, তবে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। কিন্তু তাকে মব করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা বা মেরে ফেলা কোনো সমাধান নয়।’ তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিটিয়ে হত্যা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে এই সংস্কৃতির নিন্দা জানান।

এ প্রসঙ্গে জানতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ঢাবি শাখা) সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, ভয়হীন ও শঙ্কামুক্ত ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতির চর্চা করে আসছি। দীর্ঘদিন ধরে দেশে আইনের শাসন অনুপস্থিত ছিল। বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। সেখানে কারও অধিকার নেই আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়ার। আইন অমান্য করে কোনো কর্মকাণ্ডকেই আমরা সমর্থন করি না। কেউ যদি অপরাধী হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আইন অনুযায়ী বিচার করবে।

ঢাবির ঘটনা ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত ক্রাইম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, সুনির্দিষ্ট অপরাধ  বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ‘মব কালচার’ প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মব সংস্কৃতি আর কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। সবকিছুকেই কেন ‘মব’ বলতে হবে, কিছু কিছু সংগঠিত হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা-সুনির্দিষ্ট অপরাধ। মব স্টাইলে কারো উপর জুলুম করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত ক্রাইম। 

সোমবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় সরকার মব নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ কি-না এমন প্রশ্ন তুলেন স্থানীয় এক সাংবাদিক। বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী যেসব ঘটনা-

বুয়েটে আবরার ফাহাদ হত্যা

২০১৯ সালে ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে বুয়েটের শেরে-ই-বাংলা হলের ভেতরে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীরা হত্যা করে। এই ঘটনাটি জাতীয় ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং ক্যাম্পাস সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। আবরার ফাহাদ হত্যার সঙ্গে জড়িত ২৫ জন দোষীর মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : 

২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুল্লাহ আল মাসুদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন জায়গায় ‘মব জাস্টিস’ (উচ্ছৃঙ্খল জনগোষ্ঠীর বিচার) চলতে দেখা যায়। 

ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা

ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দিনে দুজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। 

২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম (এফ এইচ) হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন নামের যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেন একদল শিক্ষার্থী। দুপুরে এফ এইচ হলের মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলা চলাকালে কয়েকজনের মুঠোফোন ও মানিব্যাগ চুরি হয়। পরে রাত আটটার দিকে তাকে অতিথিকক্ষে নিয়ে পেটানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তোফাজ্জলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। 

নিহত তোফাজ্জলের (৩২) গ্রামের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নে। কাঁঠালতলী ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। 

একইদিন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ গণপিটুনিতে নিহত হন। ১৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। 

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  ছাত্রলীগ   ভূমিকা   বৈষম্যবিরোধী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close