ফেনীতে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে শহরের মার্কেটগুলো। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় চোখে পড়ার মতো। তরুণীদের পাশাপাশি তরুণ ক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষণীয়। তরুণ-তরুণীরা বেশি ভিড় করছেন ফেনী গার্ডেন সিটিতে।
বুধবার (১১ মার্চ) শহরের মার্কেটগুলো ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়।
বুধবার রাতে মার্কেটের দ্বিতীয় তলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত গাদাগাদি করে ক্রেতাদের হাঁটতে দেখা যায়। প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় নারী ক্রেতা ও চতুর্থ তলায় পুরুষ ক্রেতা সমাগম বেশি। বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় শাড়ি, থ্রি-পিস, গাউন, লেহেঙ্গা, হিজাব, বোরকা ও বিভিন্ন ফ্যাশনেবল পোশাকের পাশাপাশি প্রসাধনী দোকানে পছন্দের পণ্য কিনেন ক্রেতারা। গতবারের তুলনায় বিক্রি কিছুটা কম হলেও, বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট দোকানদাররা। পছন্দের পোশাক পেয়ে খুশি ক্রেতারাও।
অহনা গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী স্বপন বলেন, ‘এই ঈদে মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। কেনাকাটা করার জন্য দল দলে ক্রেতারা আসছেন। এতে দেশের অবস্থা যে ভালো সেটাও প্রমাণ করে। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক এটাই প্রত্যাশা করি। আইন-শৃঙ্খলা ভালো থাকলে ব্যবসায়ীরা ভালো থাকেন। ঈদকে সামনে রেখে এবার ক্রেতাদের মাঝে ভালো সাড়া দেখা যাচ্ছে।’
মিস ওয়ার্ল্ডের বিক্রেতা নাজমুল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ভালো বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে এবারে সার্বিক পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ার কারণে কিছুটা কম হলেও ভালো বিক্রি হচ্ছে। আমাদের এখানে থ্রি-পিস ও জরজেট বেশি বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা এখন বেশি আসতেছেন।’
মাওয়া হিজাবের বিক্রেতা মো. আশিক বলেন, ‘এখানে হিজাবের জন্য আমাদের দোকানটা সেরা। মহিলারা হিজাব কিনতে আসতেছেন। কালার মিলিয়ে বিশেষ করে শাড়ির সাথে মিলিয়ে অনেকে হিজাব নিচ্ছেন। ভালো বিক্রি হচ্ছে।’
জার্মানি সুজের কাজী হাবিব উল্লাহ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ভালো বিক্রি হচ্ছে। গত বছর থেকে তুলনামূলকভাবে একটু কম। তারপরও যেটা হচ্ছে ভালো হচ্ছে। নিয়মিত ৬০-৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারি’
ক্রেতা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘ঈদ বছরে দুইবার আসে। সবাই আনন্দ করতেছে, কেনাকাটা করতেছে। আমিও ক্রয় করতে এসেছি। ভালো লাগতেছে।’
কেকে/এসএ