সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ      ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর      সব বেসরকারি দাখিল-আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল      ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭০ টাকা      ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু      দুবাইয়ের জেল থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর      ঢাকার চারপাশের নৌ-পথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      
দেশজুড়ে
ক্ষেতলালে জিম্মি করে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’, দাবি গৃহবধূর
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:০১ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় জিম্মি করে চাঁদা দাবির অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূকে। তিনি দাবি করেছেন, তাকে কেউ জিম্মি করেনি এবং চাঁদা দাবির ঘটনাও ঘটেনি। বরং তাকে যারা সহায়তা করেছেন, তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তার স্বামী লিটন হোসেন ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাতে ক্ষেতলাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শ্যামলী আক্তার লিজা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিজা বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই জিম্মি ছিলাম না। বিপদে পড়ে স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। তারা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু আমার স্বামী লিটন হোসেন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার করছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ক্ষেতলালের মহব্বতপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে লিটন হোসেনের সঙ্গে লিজা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় সাত মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। পরে লিটন কুষ্টিয়ায় লিজার বাড়িতে গিয়ে প্রায় তিন মাস সংসার করেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। গত রোববার (৯ মার্চ) লিটনের দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী, লিজা ক্ষেতলাল উপজেলা সদরে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতা চান। স্থানীয় ব্যক্তিরা উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন রেজিস্ট্রারের বাড়িতে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের পুনরায় কাবিন সম্পন্ন করা হয়।

লিজা আরও বলেন, ‘বিয়ের পর লিটন তার প্রথম স্ত্রীকে ম্যানেজ করার কথা বলে আমাকে এক পরিচিত আপার কাছে রেখে বাড়িতে যান। কোনো রাজনৈতিক দল বা দলের কেউ আমাকে জিম্মি করেনি। এখানে আমাকে জিম্মি করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে জিম্মি করা হয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

‘আমি এক প্রতারকের চক্রান্তের শিকার হয়ে ক্ষেতলালে এসে বিপদে পড়েছিলাম। নিরুপায় হয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। তারা আমার অসহায়ত্ব বিবেচনা করে আমাকে চেয়ারম্যান, পুলিশ ও ইউএনও ম্যাডামের কাছেও নিয়ে গেছেন। তাদের সহায়তায় আমি ন্যায্য বিচার পেয়েছি।’

লিজা জানান, পরে আমি জানতে পারি, লিটনের আগেও একটি স্ত্রী রয়েছে, যা আমি আগে জানতেন না। এখন যেহেতু বিষয়টি জেনেছি, তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধান হয়েছে এবং আমি আমার নিজ বাড়িতে ফিরে যাব।’

সংবাদ সম্মেলনে লিজা দাবি করেন, তার প্রতারক স্বামী অসৎ উদ্দেশ্যে কিছু লোকজনের সঙ্গে যোগসাজশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনগড়া ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ক্ষেতলাল   জিম্মি করে চাঁদা   গৃহবধূ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close