নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সেচযন্ত্রের সাহায্যে বিষাক্ত পানি ঢেলে পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে। বিচার পেতে ভুক্তোভোগী হাবিবুর রহমান গুরুদাসপুর থানায় অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার (৯ মার্চ) মাছ নিধনের এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) পুকুর পাড়ে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন হাবিবুর রহমান।
অভিযুক্ত মিলন হোসেন উপজেলার বিয়াঘাট উত্তর পাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে।
অভিযোগের কপি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান ও তার এক সহযোগী বিয়াঘাট কবরস্থানের একটি পুকুর লিজ নিয়ে সেখানে মাছ চাষ করে আসছিলেন। লিজকৃত পুকুরের পশ্চিমপাড় বরাবর অভিযুক্ত মিলন হোসেনের সেচযন্ত্রের নালা চলে গেছে। নালার অনেক জায়গায় ভাঙা অংশ দিয়ে পুকুরে পানি প্রবেশ করে। সম্প্রতি পানি বন্ধ করা নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে।
গত বুধবার মিলন ওই নালা দিয়ে বিলের দূষিত ও পচা পানি দিয়ে জমিতে সেচ দিতে গেলে বেশ কিছু পানি পুকুরে প্রবেশ করে। এতে বিষক্রিয়ায় পুকুরের সমস্ত মাছ মারা যায়।
এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মিলন হোসেনের নামে গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরপাড়ে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন। এ সময় এলাকার অন্তত শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমান জানান, নালা মেরামত করার জন্য মিলনকে বেশ কয়েকবার বললেও গায়ের জোরে অগ্রাহ্য করেছেন। হাবিবুর ধার-দেনা করে মাছ চাষ করেছেন। পুকুরের সমস্ত মাছ মরে তিনি পথে বসে গেছেন। এতে তার ১৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
তিনি ক্ষতিপূরণ ও দোষী মিলনের শাস্তি দাবি করেন।
অভিযুক্ত মিলন হোসেন বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এসএ