মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
রেল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি, পার্বতীপুর স্টেশনে ট্রেনে আগুন
পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৪ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) রাতে রেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতায় জংশন স্টেশনে ঘটে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা।

জানা গেছে, পার্বতীপুর থেকে রমনা বাজার রেল রুটে চলাচলকারী রমনা কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনের ২ নম্বর ডকইয়ার্ডে (মিটার গেজ) অবস্থান করছিল। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ট্রেনের পাওয়ারকার (জেনারেটর রুম—বগি নম্বর ৭৩৫৬) মেঝেতে ভাঙা দেখতে পান রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী/বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মচারীরা। পরে এসএসএ/ই-ইলেক. দপ্তরের কর্মচারী মাসুদ রানা নয়নের নেতৃত্বে সাজেদুল ইসলাম, মিরাজসহ কয়েকজন অস্থায়ী (টিএলআর) কর্মচারী দিয়ে ইয়ার্ডে অবস্থান করা রমনা বাজার মেইল ট্রেনের পাওয়ারকারে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ শুরু করা হয়।

নিয়মানুযায়ী ওয়েল্ডিংয়ের কাজের আগে পাওয়ারকারে থাকা ফুয়েল ট্যাংক খালি করার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে কাজ করে আসছিল ভিন্ন দপ্তরের অদক্ষ এই শ্রমিকেরা। এক পর্যায়ে ওয়েল্ডিংয়ের ফুলকি মেঝেতে পড়লে জ্বালানি তেলের সংস্পর্শে এসে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে পুরো বগিতে।

এক পর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে ওয়েল্ডিংয়ের কাজে থাকা সংশ্লিষ্টরা। খবর পেয়ে পার্বতীপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কি ঘটেছিল পাওয়ারকারে? জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ওয়েল্ডিংয়ের নেতৃত্বদানকারী ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী/বিদ্যুৎ, পার্বতীপুর দপ্তরের কর্মচারী মাসুদ রানা নয়ন।

কথা হয় ঘটনাস্থলে ওয়েল্ডিংয়ের কাজে সহায়তাকারী রেলওয়ের ট্রেন পাসিং দপ্তরের অস্থায়ী (টিএলআর) কর্মচারী মিরাজের সঙ্গে।

তিনি বলেন, “ট্রেন পাসিং দপ্তরের কর্মচারী হলেও তাদের নিয়ে এসে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করতে বলা হয়। কাজ করার সময় মেঝেতে থাকা জেনারেটরের তেলে প্রথমে আগুন ধরলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।”

মূলত কর্মচারীদের অদক্ষতার কারণেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে পার্বতীপুর জংশন স্টেশনের মাস্টার (এসএম) রেজাউল ইসলামের অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী পার্বতীপুরের ইন্সপেক্টর আহসান হাবীব বলেন, “ইয়ার্ডের ওই বিটে দায়িত্বপালনকারী আরএনবি সদস্যদের মাধ্যমে প্রথম সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, রেল পুলিশ ছাড়াও উপস্থিত এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”

পার্বতীপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের লিডার মো. দুলাল জানান, খবর পেয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় কলের গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে প্রথমে শুধু পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরে পাউডার ব্যবহার করা হয়।

ঘটনার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাটের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোহাম্মদ তসলিম আহমেদ খানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পার্বতীপুর   স্টেশন   ট্রেন   আগুন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close