লালমাই উপজেলায় ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াসিন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় লালমাই উপজেলার ৬নং পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের দোশারীচোঁ মৌজাস্থ ডাকাতিয়া নদীর শাখা সংলগ্ন মাঠে এ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
শাসনপাড়া থেকে দোশারীচোঁ পর্যন্ত ডাকাতিয়া নদীর শাখা সংযোগ পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, “নির্বাচনের হাতের কালি শুকানোর আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এর মাধ্যমে বিএনপি আবারও প্রমাণ করেছে যে, দলটি শুধু মুখের রাজনীতি নয়, চাটুকারিতার রাজনীতি করে না; বিএনপি উন্নয়ন ও সৃষ্টির রাজনীতি করে।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সবসময় দেশের উন্নয়ন এবং কৃষকদের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি কৃষিমন্ত্রী হিসেবে বলছি, নির্বাচনের হাতের কালি শুকানোর আগেই কৃষকদের মাঝে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি কার্ড প্রদান কার্যক্রমও দ্রুত শুরু করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ঘোষণা দিয়েছিল ক্ষমতায় এলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ দেশের ৫৪টি উপজেলায় একযোগে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।”
“এ খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে লালমাই উপজেলার ৪২টি গ্রামের জলাবদ্ধতা দূরীভূত হবে। ফলে এ অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ উপকৃত হবে।”
এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নেন। তারা হাতে কোদাল ও টুকি নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খাল খননের কাজে অংশগ্রহণ করেন। এতে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এবং (অতিরিক্ত সচিব) ও বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজা হাসান।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, লালমাই উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/এলএ