আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। তিনি ১৯২০ সালের এই দিনে তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত সেই শিশুই পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারি। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ এবং জনগণের প্রতি অসাধারণ মমত্ববোধের কারণেই পরিণত বয়সে বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা।
পিতা শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুনের চার কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তৃতীয়। তিনি কিশোর বয়সেই সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জের মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগদানের কারণে প্রথমবারের মতো গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেন।
পরবর্তী সময়ে বাঙালির শোষণ মুক্তির আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন।
তিনি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন ও একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন। বঙ্গবন্ধু জাতিকে যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন তা ব্যর্থ করতে সদ্যস্বাধীন দেশেই ষড়যন্ত্রকারীরা নানা তৎপরতা শুরু করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনাসদস্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।
কেকে/এলএ