মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী বারুণী ও কালী পূজা উপলক্ষে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ শিঙ্গীমারী শ্মশান ও কালীমন্দির প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে ২ নম্বর গ্রোয়িং বাঁধ সংলগ্ন মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর-১ আসনের সাংসদ মো. রায়হান সিরাজী।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ উৎসব স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।’
‘ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা জাগ্রত করে, যা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
রায়হান সিরাজী আরও বলেন, ‘কারো বাড়িতে যদি আগুন লাগে, তখন কেউ ধর্মের ভিত্তিতে আগুন নেভাতে যায় না—মানুষ হিসেবেই এগিয়ে যায়। আমরাও সব ধর্মের মানুষকে সেভাবেই দেখি।’
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকব। কোলকোন্দ শিঙ্গীমারী শ্মশানের উন্নয়নকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার আমির মো. নায়েবুজ্জামান, নায়েবে আমির মো. তাজ উদ্দিন, গঙ্গাচড়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কমল কান্ত রায়।
অনুষ্ঠানে কোলকোন্দ শিঙ্গীমারী শ্মশান ও কালীমন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুধীর বর্মন স্বাগত বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শ্মশান কমিটির সদস্য সাংবাদিক নির্মল রায়।
শত শত ভক্তের উপস্থিতিতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
এর আগে, বারুণী ও কালী পূজার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর।
কেকে/এমএ