শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে: মীর শাহে আলম      দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই: ডা. শফিকুর রহমান      ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী      শনিবার থেকে দেশব্যাপী তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান      স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম      হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু      আরও বেড়েছে সবজির দাম      
খোলাকাগজ স্পেশাল
জ্বালানি সংকট, পথে পথে কর্মমুখী মানুষের ভোগান্তি
আবদুল্লাহ আল জাহেদ
প্রকাশ: রোববার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ কাটিয়ে শহরে ফিরছে কর্মমুখী মানুষ। ঠিক এ সময়ে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানি সংকট। বিশেষ করে দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, নীলফমারীসহ উত্তরের বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে—যার ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং যানবাহন চলাচলে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। 

জ্বালানি তেলের এই সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে কর্মমুখী মানুষ, মোটরসাইকেল চালক এবং পরিবহন শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন—এমনকি ঈদ যাত্রায় আরিচা ঘাটে স্পিডবোট চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
 
রোববার (২২ মার্চ) জেলা পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকালে এমন চিত্র উঠে আসে।

সংকটের প্রধান দিকগুলো—

ফিলিং স্টেশনে হাহাকার : দিনাজপুরের খানসামা উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনে তেল মজুদ না থাকায় পাম্প বন্ধ বা দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।

যানবাহন ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি : জ্বালানি সংকটে রাস্তায় যানবাহন কম নামায় কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্যানিক ও অব্যবস্থাপনা : জ্বালানি রেশনিং চালু করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে ভিড় বাড়ছে।

রংপুর থেকে ঢাকার পথে রওনা দেওয়া এক যাত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে রাস্তায় দূরপাল্লার গাড়ি কম। শহরমুখী মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। 

ছুটি কাটিয়ে বগুড়া থেকে ঢাকামুখী আরেক যাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি কটিয়ে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছি। রাস্তায় গাড়ি কম থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একা হলে ভেঙে ভেঙে চলে যেতাম—এখন পরিবার নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলাম।

এদিকে মোটরসাইকেল চালকরা পড়েছেন বিপাকে। তারা বলছে, জ্বালানি সংকটের কারণে ট্যাঙ্ক ফুল লোড করতে পারছি না। ফলে মোটরসাইকেল থেকেও কোনো কাজে লাগাতে পারছি না। বিশেষ করে, রাইড শেয়ার করা চালকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। যাত্রী চাহিদা থাকা সত্বেও তারা রাইড শেয়ার করতে পারছে না।

পরিবহন শ্রমিকরা এ সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। এ খাতের কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয়েছে খোলা কাগজের এ প্রতিবেদকের। শ্রমিকরা বলেন, গাড়ি চালিয়েই সংসার চালাই। ঈদে বাড়তি আয়ের আশায় গাড়ি নিয়ে বের হই। তবে জ্বালানি সংকটে সেই আশা আর রইলো না।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, জেলা পর্যায়ের পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল মজুদ না থাকায় জ্বালানির এ সংকট তৈরি হয়েছে। যার ফলে রাস্তায় যানবাহন কম নামায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জ্বালানি সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের ছুটি শেষ হলে এ সংকট কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্মীরা ছুটি কাটিয়ে কাজে ফিরলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। জ্বালানি রেশনিংয়ের কারণে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক রয়েছে, সেটিও দ্রুত কেটে যাবে।

কেকে/এজে


আরও সংবাদ   বিষয়:  জ্বালানি সংকট   কর্মমুখী মানুষের ভোগান্তি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close