কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আলোচিত চাঁদাবাজ মামুন গ্রুপের সদস্য ইমরানকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে নৌ-পুলিশ।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
রোববার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার লক্ষণখোলা বাজার এলাকা থেকে মেঘনা থানা পুলিশের সহযোগিতায় নৌ-পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইমরান উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পাড়ারবন গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি মেঘনা নদীর কাঠালিয়া শাখা নদীপথে তিতাস উপজেলার চাঁদাবাজ মামুনের নেতৃত্বে সিলেট থেকে দাউদকান্দিগামী একটি বাল্কহেড থেকে ইমরান মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাল্কহেডটির স্টাফদের মারধর করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলার শিবনগর গ্রামের ওই বাল্কহেডের একজন ভুক্তভোগী স্টাফ মো. আল আমীন বাদী হয়ে ইমরানসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে মেঘনা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ইমরানের বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজির অভিযোগে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আজমগীর হোসাইন বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুর ১২টার দিকে আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নদীপথে নৌ-পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চাঁদাবাজ ও শেল্টারদাতাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
কেকে/এসএ