গাজীপুরের কাশিমপুরে পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানে প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, অন্য একটি মামলার আসামি গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে থাকা কয়েকজনের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়িতে থাকা তিনজন দ্রুত পালিয়ে যায়।
কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মো. খালিদ হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ভেতরে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে দেখতে পায় পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে নেওয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. মতিন। তিনি কাশিমপুর থানার বাগবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইনস্পেক্টর তারিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে শুক্রবার সকালে তাকে নিজ এলাকা থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার চোখ ও হাত বেঁধে প্রাইভেটকারে তুলে নেয় এবং পরে সারদাগঞ্জের সারাবো এলাকায় নিয়ে যায়।
অপহরণকারীরা মতিনের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং তার শ্যালিকার মোবাইল নম্বরে ফোন করে একই অঙ্কের টাকা দাবি জানায়। তবে তাদের মুখে মাস্ক থাকায় কাউকে শনাক্ত করতে পারেননি ভুক্তভোগী।
ওসি মোল্লা মো. খালিদ হাসান বলেন, “পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে অপহরণকারীরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।”
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ইনস্পেক্টর তারিকুল ইসলাম।
কেকে/এলএ