ফরিদপুর অঞ্চলের মানুষের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে ডুমুর তরকারির চাহিদা। ডালে-ডালে, থোকায়-থোকায় ঝুলে থাকা ডুমুর গ্রামীণ প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এর পুষ্টিগুণও অপরিসীম।
এই ডুমরের তরকারি উচ্চ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এবং ভেষজ গুণসম্পন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ তরকারি, যা স্থানীয়ভাবে সুস্বাদু তরকারি হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়।
ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার গ্রামের আনাচে-কানাচে, রাস্তার পাশে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় ডুমুর গাছ সম্পূর্ণ বিনা পরিচর্যায় এমনকি অনাবাদি জায়গায়ও রয়েছে। গাছের ডুমুর গৃহবধূরা গাছ থেকে ছিড়ে নেবার জন্য তরকারি হিসেবে ব্যবহার করছে।
ডুমুরের আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্যে। মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর (আঞ্জির) পাওয়া যায়, তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত। এর আরবি নাম ‘তীন’; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে ‘আঞ্জির’ বলা হয়। এই গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ময়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কালিপদ চক্রবর্ত্তী বলেন, “প্রকৃতিতে ফোটা ডুমুর একটি উপকারী ভেষজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ গাছ। এর ফল তরকারি হিসেবে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি খুব পরিচিত একটি গাছ।”
কেকে/এলএ