সিরাজগঞ্জের তাড়াশ-খালকুলা আঞ্চলিক সড়কের বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আর গাড়ি চলাচল করে। হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের সংযোগস্থল খালকুলাতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষজন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনার বিষয় নিত্যদিনের চিত্র হয়েছে।
পথযাত্রী আলামিন হোসেন বলেন, ‘খালকুলা থেকে তাড়াশ যাওয়ার সড়কে মাটিবাহী ড্রাম ট্রাক আর মাছবাহী গাড়িগুলোর কারণে এই রাস্তাতে বড় বড় গর্ত আর কাঁদাযুক্ত হয়ে পড়েছে।’
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ উপজেলা সদর ও জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেন। আর ব্যস্ততম সড়কের অবস্থাই বেহাল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে কোনো দৃশ্যমান সংস্কার কাজ হয়নি। বছরে হঠাৎ করে রাতের অন্ধকারে কিছু ইট-সুরকি ফেলে হারিয়ে যান সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, তাড়াশ-খালকুলা আঞ্চলিক সড়কটি সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথের উল্লাপাড়া আঞ্চলিক অফিসের আওতায়। সড়ক ও জনপথের সড়ক হওয়ায় অন্য কোন দপ্তর এ সড়কের কোন দায়িত্ব নেন না।
অটোরিকশা চালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। রিকশা চালাতে খুবই কষ্ট হয়।’
এছাড়া, তাড়াশ পৌর সদর থেকে খালকুলা পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটি এখন এলাকাবাসীর কাছে ‘মৃত্যুর ফাঁদ’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ওই সড়কের আজিমনগর থেকে ভায়াটসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে পাথর, খোয়া ও বালু বেরিয়ে এসেছে। বৃষ্টির পানি জমে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘদিন শুকায় না। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, ‘খালকুলা-তাড়াশ সড়কের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এক মাসের মধ্যে সড়কের সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’
কেকে/এমএ