সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
গঙ্গাচড়ায় স্কুল খুলেই বাড়ি চলে যান প্রধান শিক্ষক
নির্মল রায়, গঙ্গাচড়া (রংপুর)
প্রকাশ: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কেএনবি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জলধর চন্দ্র রায় স্কুল খুলেই বাড়িতে চলে যান—এমন অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জানা যায়, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না এবং নির্ধারিত সময়েও দায়িত্ব পালন করেন না। অনেক সময় স্কুল চলাকালীনও তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের পাঠ্যসূচি পিছিয়ে পড়ছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুল খোলার পরপরই প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করে বাড়িতে চলে যান। পরে দুুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। 

স্থানীয়দের দাবি, এটি তার প্রায় প্রতিদিনের অভ্যাস। বিদ্যালয় সংলগ্ন বাসা হওয়ায় সুযোগ নিয়ে তিনি দায়িত্বে অবহেলা করে থাকেন।

অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের এমন দায়িত্বহীন আচরণের কারণে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

তারা দ্রুত এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিদ্যালয়টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ মোট চারজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের কারণে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জলধর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গঙ্গাচড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  গঙ্গাচড়া   প্রধান শিক্ষক  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close