বান্দরবানের লামা পৌরসভার কুঠালিয়ার টেক এলাকায় পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল নেতা শাহীন আলমকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ভিকটিমের নিজ তামাক ক্ষেতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় শাহীন আলম লামা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে একই এলাকার মৃত সেয়া মিয়ার ছেলে মো. আনু মিয়া, তার ছেলে মো. নূরুন্নবী ও মেয়ে নাজমা আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে শাহীন আলম তার তামাক ক্ষেতে কাজ করতে গেলে বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
শাহীন আলম বলেন, ‘বিবাদীদের দীর্ঘদিন ধরে আমার সাথে বিরোধ চালিয়ে আসছিল। আজ সকালে আমি ক্ষেতে কাজ করার সময় তারা হঠাৎ লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমি গত বছর তামাক চাষ করার জন্য আরফাত আলী থেকে নগদ ১২ হাজার টাকায় ০.২০ শতক একর জমি খাঁজনা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু ১ নম্বর ও ২ নম্বর বিবাদী রাগান্তিত হয়ে এসে প্রথমে আমাকে দেশিয় অস্ত্র লাঠি দিয়ে ডান পায়ে আঘাত করে। পরে কিল ঘুষি মেরে আমাকে তামাক চুল্লির পাশে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে। আমার আবাদি জমিতে চাষ করা তামাক ক্ষেত সম্পূর্ণরূপে ৩ নম্বর বিবাদীসহ তার অত্মীয় স্বজন মিলে নষ্ট করে ফেলে। তারা আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এই বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ‘হামলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেকে/এমএ